দরিদ্র কৃষক দবির মিয়া জন্ডিসে আক্রান্ত হলে ঝাড়-ফুঁকসহ নানা কবিরাজি চিকিৎসা নেয়। তার ধারণা এ রোগের জন্য ডাক্তারি কোনো ভালো চিকিৎসা নেই। দিনে দিনে তার শারীরিক অবস্থা আরও খারাপ হয়ে পড়লে তার কলেজপড়ুয়া ছেলে সুমন তাকে শহরে নিয়ে ডাক্তারি চিকিৎসার মাধ্যমে সম্পূর্ণ সুস্থ করে তোলে। বাবাকে উদ্দেশ করে সুমন বলে, "তুমি এখনও সেকেলেরই রয়ে গেলে।"
"উদ্দীপকের সুমনের ভাবনা যেন 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পের পরাশর ডাক্তারের অনুরূপ"- মন্তব্যটি সত্য।
বর্তমানে চারদিকে বিজ্ঞানের জয়জয়কার। জীবনের সব ক্ষেত্রে ছড়িয়ে রয়েছে বিজ্ঞান। বিজ্ঞান মানুষকে বিচার-বিশ্লেষণ করতে শেখায়। মানুষকে প্রচলিত কুসংস্কার থেকে বেরিয়ে এসে সুন্দরভাবে বাঁচতে শেখায়।
'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পের পরাশর ডাক্তার একজন বিজ্ঞানমনস্ক ব্যক্তি। নগেন ভূতে বিশ্বাস করে কাহিল হয়ে পড়লে সে ডাক্তারের শরণাপন্ন হয়। পরাশর ডাক্তার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিজ্ঞানসম্মত যুক্তি দিয়ে বিচার করে নগেনের ভূতে বিশ্বাসকে ভিত্তিহীন প্রমাণ করেন। অন্যদিকে কলেজ পড়ুয়া সুমন কুসংস্কারাচ্ছন্ন পিতাকে শহরে নিয়ে চিকিৎসা করিয়ে সুস্থ করে তোলে। সে কবিরাজে বিশ্বাসী নয়।
উদ্দীপকের সুমন আলোচ্য গল্পের পরাশর ডাক্তারের মতো বিজ্ঞানমনস্ক। কবিরাজি, ঝাড়ফুঁক তার কাছে সেকেলে। সে বিজ্ঞানের আধুনিক চিন্তা-চেতনায় বিশ্বাসী। তাই আমরা বলতে পারি যে, "উদ্দীপকের সুমনের ভাবনা যেন 'তৈলচিত্রের ভূত' গল্পের পরাশর ডাক্তারের অনুরূপ"- মন্তব্যটি সত্য।
আপনি আমাকে যেকোনো প্রশ্ন করতে পারেন, যেমনঃ
Are you sure to start over?